আপনি যখনই দুয়া করবেন, এটা নিশ্চিত থাকবেন আল্লাহ তা'য়ালা আপনার দুয়া কবুল করবেন।
আল্লাহর প্রতি সুধারণা থাকতে হবে। মহান আল্লাহ নিরাশ হতে নিষেধ করেছেন। আল্লাহ আরও বলেছেন, ▪️বান্দাগণ, আমি আল্লাহ তোমাদের অতি নিকটবর্তী। (সূরা বাকারাহ:১৮৬) ▪️তোমরা আমাকে ডাক, আমার কাছে দুয়া কর, আমি তোমাদের ডাকে সাড়া দেব, তোমাদের দুয়া কবুল করবো। (সূরা মু'মিন:৬০)
আপনি ঠিক যা চান, যেভাবে চাচ্ছেন, হুবহু সেরকম দুনিয়ার জীবনে পাবেন এটা ভাববেন না। তিন (৩) ভাবে আপনার দুয়া কবুল হয়। ১। আপনি যা চাচ্ছেন, তা আল্লাহ তা'য়ালা দুনিয়াতেই আপনাকে তা দিয়ে দেন। ২। আপনি যা দুয়া করেছেন, সেই দুয়া (দুয়ার নেকী) কে আল্লাহ আখিরাতের জন্য জমা রাখেন। ৩। আপনি যা দুয়া করেছেন, যা চাচ্ছেন, সেই দুয়া এবং চাওয়া অনুসারে আপনার জীবন থেকে অনাগত বিপদ আল্লাহ তা'য়ালা দূর করে দেন। (তিরমিযি:৫/৫৬৬; আহমাদ, আল-মুসনাদ: ৩/১৮)
বান্দা দুয়া করার পর অধৈর্য হয়ে যায়, হতাশ হয়ে যায়। আখিরাতে বান্দা তার সকল দুয়া (দুয়ার বিনিময় বা দুয়ার নেকী) দেখতে পাবে। সে দেখে কামনা করবে, আফসোস করে বলবে, দুনিয়াতে কোনো দুয়াই যদি কবুল না হতো! সবই যদি আখিরাতের জন্য জমা থাকতো! (আত-তারগিব ওয়াত-তারহিব: ২/৪৭৫-৪৭৬)
দুয়া করার সময় যা খেয়াল রাখা উচিত: ▫️একনিষ্ঠতার সাথে দুয়া করুন। ▫️দুয়ার শুরুতে এবং শেষে দরুদ পড়ুন। ▫️দুয়ায় আল্লাহর প্রশংসা করুন, কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করুন। ▫️দুয়া কবুল হবে বিশ্বাস রাখুন, ধৈর্য ধরুন। ▫️অযূ অবস্থায় দুয়া করার চেষ্টা করুন। ▫️দু'হাত তুলে দুয়া করুন। ▫️ফরয নফল সালাতে সালাম ফিরানোর আগে এবং সালাম ফিরানোর পরে, দুয়া করুন। ফরয ব্যতীত অন্যান্য সালাতে সিজদাহ্ তেও দুয়া করুন।
আল্লাহ তা'য়ালা আমাদের দুয়াগুলো কবুল করুন।
© মাহমুদ হাসান
