⭕কোনো স্ত্রী যখন তার স্বামীকে কষ্ট দেয়, তখন ঐ পুরুষের জন্য জান্নাতে নির্ধারিত স্ত্রী (হূর) বলতে থাকে, হে অভাগিনী আল্লাহ তোমাকে ধ্বংস করুক, তোমার স্বামী কে কষ্ট দিও না, সে তো তোমার কাছে কিছু দিনের জন্য মেহমান মাত্র, অচীরেই সে জান্নাতে আমার কাছে চলে আসবে। (তিরমিজিঃ১১৭৪)
⭕রাসূল সাঃ বলেছেন: কোন নারী যেন তার দেখা অন্য নারীর দেহের বর্ণনা নিজ স্বামীর নিকট এমনভাবে না দেয়, যেন সে তাকে (ঐ নারীকে) দেখতে পাচ্ছে। (বুখারী, হাদিস নং ৫২৪১)
⭕স্বামী যখন তার স্ত্রীকে নিজ বিছানার দিকে (সঙ্গম করতে) আহ্ববান করে তখন যদি স্ত্রী না আসে, তবে সকাল পর্যন্ত ফেরেশতাগণ তার উপর অভিশাপ করতে থাকেন। অন্য এক বর্ণনায় এসেছে, যতক্ষণ পর্যন্ত না স্বামী তার প্রতি সন্তুষ্ট হয়েছে, ততক্ষণ পর্যন্ত ফেরেশতা তার উপর অভিশাপ করতে থাকেন। (বুখারী ৩২৩৭)
⭕কোন ব্যাক্তি তার স্ত্রীকে নিজ প্রয়োজন ( সঙ্গম) পূরণের উদ্দেশ্যে ডাকলে সে যেন সাথে সাথে তার নিকট আসে, এমনকি সে চুলার উপর রান্না-বান্নার কাজে ব্যস্ত থাকলেও। (তিরমিজিঃ১১৬০)
⭕স্ত্রী হলো স্বামীর গৃহের রক্ষক, সে তার রক্ষণাবক্ষণ (দায়িত্ব) সম্পর্কে জিজ্ঞাসিত হবে(বুখারীঃ৫১৮৮)
⭕আর তোমরা নারীদের সঙ্গে সদ্ব্যবহার করবে। কেননা, তাদেরকে সৃষ্টি করা হয়েছে পাঁজরার হাড় থেকে এবং সবচেয়ে বাঁকা হচ্ছে পাঁজরার ওপরের হাড়। যদি তা সোজা করতে যাও, তাহলে ভেঙ্গে যাবে। আর যদি তা যেভাবে আছে সেভাবে রেখে দাও তাহলে বাঁকাই থাকবে। অতএব, তোমাদেরকে ওসীয়ত করা হলো নারীদের সঙ্গে সদ্ব্যবহার করার জন্য। (বুখারীঃ৫১৮৬)
⭕পুরুষ হলো নারীর কর্তা, কারণ আল্লাহ তাদের একে অপরের উপর শ্রেষ্ঠত্ব দান করেছেন"- ( সূরা আন-নিসা: ৩৪ )
লিখেছেন : আল - আমিন
