নিজের বাড়ি বানানোর অভিজ্ঞতা থেকে কিছু পরামর্শ নিম্নরূপঃ
১. বাড়ির নির্মানের আগে অবশ্যই একজন ইঞ্জিনিয়ার এর পরামর্শ নিন।
২. গুরুত্বপূর্ণ কাজে ইঞ্জিনিয়ারের উপ্সথিতি থাকা বাঞ্চনীয়।
৩. একজন বেতন ভিত্তিতে একজন ইঞ্জিনিয়ার নিয়োগ দিন, বাড়ির কাজে তদারকি করার জন্য এতে কিছু টাকা বাড়তি গেলেও সর্বাপেক্ষা আপনি লাভবান হবেন।
৪. ঠিকাদার চয়েজ এর ক্ষেত্রে অবশ্যই ভালো একজন ঠিকাদার নির্বাচন করুন। তা না হলে, আপনি যতই ভালো ম্যাটেরিয়েল ব্যবহার করুন না কেন, আপ্নার ভবন আপনার ক্ষতির কারন হতেও পারে মারাত্তকভাবে।
৫. ঠিকাদার কিংবা মিস্ত্রি কারো সাথে বেশি মিশতে যাবেন না, এতে তারা পেয়ে বসে। নিজ স্বার্থ কাজে এক চুল ও ছাড়দেবেন না। তারা ভাইব্রেটর মেশিন কিংবা ভেজ সেন্টারিং এ কাঠ ও ব্লক ব্যবহার করতে চায় না তাই কাজের আগে চুক্তি করে নিন ভালোভাবে।
৬. মিস্ত্রি এবং ঠিকাদার কে অবশ্যই ডিজাইন দেখে কাজ করতে বলবেন, তাদের কাজ ভুল হলেও তারা বলবে এটা সমস্যা না, ব্যাপার না। এই রকম কাজ ১০-২০ বছর ধরে করি। সাবধান, তাদের কথায় নাঁচবেন তো বাশ খাবেন।
৭. ভাইব্রেটর মেশিন, ব্লক, সেন্টারিং এর ক্ষেত্রে অবশ্যই সতর্ক থাকবেন, এই ক্ষেত্রে ছাড় দিবেন না। কলাম সেন্টারিং কাঠ মিনিমাম ২ দিন রাখুন, আর সিরির সেন্টারিং মিনিমান ৭ দিন, এবং ছাদের সেন্টারিং ২১ দিন রাখুন। এবং পর্যাপ্ত পরিমানে পানি দিয়ে কিউরিং করুন, যত কিউরিং করবেন আপবার ভবন তত মজবুত হবে কেননা কংক্রিট ৪ টি ধাপে পরিপূর্ন শক্তি অর্জন করে তা হলো ৩ দিন, ৭ দিন, ২১ এবং ২৮ দিনে পরিপূর্ন শক্তি অর্জন করে।
৮। বিল্ডিং নির্মানের আগে যথেষ্ট জ্ঞ্যান রেখে নিবেন, এই ক্ষেত্রে ইউটিউব সহায়ক হতে পারে। তবে সবচেয়ে কার্যকর পন্থা আপনি কোন নির্মানধানী ভবনের কাজে সরাসরি অভিজ্ঞতা নিতে পারেন, এটাই সবচেয়ে বেস্ট।
৯. সিমেন্ট কিনার ক্ষেত্রে সিমেন্ট এর মেয়াদ যেন ১ মাসের বেশি না হয়, ৭ দিনের মধ্যে ব্যবহার করতে পারলে সবচেয়ে ভালো। তাছারা বাকি ম্যটেরিয়েলস যা কিনবেন গুনগত মানের নিবেন অবশ্যই। মনে রাখবেন একটা ভবন সারাজীবনের জন্যই।
বিদ্রঃ উপরোক্ত বিষয়গুলো আমার নিজের ব্যক্তিগত মতামত, আমি কোন ইঞ্জিনিয়ার না। আমার তথ্যে ভূল থাকতে পারে তা ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন। আমি যা বলেছি তা আমার অভিজ্ঞতা থেকে পেশ করা।
ধন্যবাদ
